ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রকাশিতঃ 7:04 pm | November 09, 2018

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আহসান সাইয়েদ প্রফেসর ড. মুহামদ আহসান উল্লাহর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাদ্রাসা পরিদর্শনে ঘুষখোরদের পরিদর্শক নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ।

তার নিয়োগকৃত পরিদর্শকগণ সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষদের নিকট থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে অযোগ্য মাদ্রাসাকে যোগ্য হিসাবে এবং নিয়মনীতি উপেক্ষা করে আলিম মাদ্রাসাকে ফাজিল মাদ্রাসায় উন্নীতের সুপারিশ করায় ভেঙে পড়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রম । ভিসি এই অনৈতিক লেনদেন করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। অভিযোগ রয়েছে, ময়মনসিংহ, রাজশাহী

, রংপুর, সিলেট চট্রগ্রামসহ বিভাগ এলাকায় বিভিন্ন আলিম(এইচএসসি) মাদ্রাসাকে ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসায় উন্নীতে ভিসি আহসান সাইয়েদ প্রফেসর ড. মুহাম¥দ আহসান উল্লাহর অযোগ্যদের পরিদর্শক হিসাবে মোটা অংকের টাকা উৎকোচ নিয়ে পরিদর্শনে পাঠান । এইসব অযোগ্য পরিদর্শক ঐ সব মাদ্রাসা পরিদর্শনে গিয়ে মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য হিসাবে প্রতিবেদন দাখিল করেন ।

তাদের পরিদর্শনে উপেক্ষিত থাকে অনেক নীতিমালা । অভিযোগে প্রকাশ, ভিসির নিয়োগকৃত রংপুরের সিন্ডিকেটের মধ্যে উল্লেখযোগ রয়েছেন, দিনাজপুরের বাসিন্দা অধ্যক্ষ হাসান মাসুদ এবং তার সহযোগী রংপুরের হাদি, ময়মনসিংহে আছে শীর্ষ এক দালাল ।

এরা ভিসির যোগসাজোশে পরিদর্শক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে মনগড়া ভুয়া ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে আলিম মাদ্রাসাকে ফাজিল মাদ্রাসায় উন্নীতে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন । এক্ষেত্রে তারা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা ঘুষ গ্রহন করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে । জানা গেছে, ময়মনসিংহের নান্দাইলের ঘুষপালা আলীম মাদ্রাসাকে ফাজিলে উন্নীত করতে ৭ লাখ টাকা ঘুষ নেন ।

একইভাবে ফুলপুরে মহিলা মাদ্রাসা থেকে ঘুষ নেন ৫ লাখ টাকা । ঘুষের একটি বড় অংশ নেন আহসান সাইয়েদ প্রফেসর ড. মুহাম¥দ আহসান উল্লাহ । সূত্র জানায়, ১০ কিলোমিটারের মধ্যে কোন মাদ্রাসা থাকলে ফাজিল মাদ্রাসায় উন্নীতের সুযোগ নেই ।

অথচ সেই নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পরিদর্শন শেষে তথ্য গোপন করেছেন পরিদর্শকরা । জানা যায়, ফুলপুরে ৫ কিলোমিটার ব্যবধানে রয়েছে আচারগাঁও ফাজিল মাদ্রাসা । ভিসির এহেন কর্মকান্ডে পরিদর্শকের মাধ্যমে ঘুষ দুর্নীতির কারনে বিভিন্ন বিভাগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম পিছিয়ে পড়ছে। কোথাও কোথাও বিপাকে পড়তে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষদের, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।