ভুয়া সনদধারী শিক্ষকের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিতঃ 8:11 pm | July 17, 2018


ফরিদপুর প্রতিনিধি

জাল পিটিআই সনদে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ ও ১০ বছর ধরে সরকারি বেতন-ভাতা নেয়ার দায়ে সুলতান হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

দুদকের বৃহত্তর ফরিদপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের মামলায় আজ মঙ্গলবার দুপুরে এ আদেশ দেন বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকা জরিমানার আদেশও দেয়া হয় রায়ে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ ফরিদপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ফজলুল হক।
বর্তমানে পলাতক ও চাকরিচ্যুত সুলতান হোসেনকে তিনটি ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রতিটি ধারায় আলাদাভাবে শাস্তির রায় দেয় আদালত।

এর মধ্যে দ-বিধির ৪০৯ ধারায় (সরকারি অর্থ আত্মসাৎ) পাঁচ বছর স্বশ্রম কারাদণ্ড ও দুই লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৪ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এ ছাড়া ৪৭১ ধারায় (ভুয়া সনদ দিয়ে জালিয়াতি) তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা, জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাস বিনাশ্রম কারদ- এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় তাকে। জরিমানা অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ হয়।

মো. সুলতান হোসেন শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার পূর্বকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে ১৯৮৪ সালের ৮ জুলাই থেকে ১৯৯৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। তিনি মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার আলীনগর গ্রামের বাসিন্দা।

দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ ফরিদপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ফজলুল হক বলেন, মো. সুলতান হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাকরি নেয়ার সময় জাল পিটিআই সনদ দেখিয়ে অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি চাকরিচ্যুত।